সুস্থ চোখ: অবিরাম অ্যাকোমোডেশন
1 · প্রত্যাশা করুন
স্বাভাবিক চোখ অভ্যন্তরীণ লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বদলে (অ্যাকোমোডেশন) নিকটবিন্দু থেকে অসীম পর্যন্ত যেকোনো বস্তুতে ফোকাস করতে পারে। কাছের বস্তুতে ফোকাস করতে চোখের কি ছোট না বড় ফোকাস দূরত্ব লাগে?
- ছোট — কাছের বস্তুর জন্য একই রেটিনা-দূরত্বে ফোকাস করতে চোখের লেন্সকে আলো বেশি জোরে বাঁকাতে হয়।
- কাছের বস্তুর জন্য বড় ফোকাস দূরত্ব।
- ভিন্ন বস্তু-দূরত্বের জন্য ফোকাস দূরত্ব বদলাতে হয় না।
2 · প্রস্তুতি
- normal-eye প্রিসেটটি খুলে রিসেট চাপুন। রেটিনা চোখের লেন্স থেকে নির্দিষ্ট 2.2 cm পেছনে।
- প্রয়োজনীয়-ফোকাস-দূরত্ব রিডআউট চালু করুন।
- প্রতিটি ট্রায়ালে বস্তুর দূরত্ব সেট করুন এবং প্রতিবিম্ব রেটিনায় রাখতে চোখের গ্রহণ করতে হওয়া ফোকাস দূরত্ব রেকর্ড করুন।
3 · ডেটা সংগ্রহ করুন
| বস্তু দূরত্ব d_o (cm) | প্রয়োজনীয় ফোকাস দূরত্ব f (cm) |
|---|---|
| 30.00 | |
| 60.00 | |
| 120.00 |
আপনার তিনটি ট্রায়ালের জন্য বস্তুর দূরত্ব d_o (x-অক্ষ)-এর বিপরীতে প্রয়োজনীয় ফোকাস দূরত্ব f (y-অক্ষ) প্লট করুন। d_o বড় হলে কি f রেটিনা-দূরত্বের (2.2 cm) দিকে যায়?
4 · বিশ্লেষণ করুন
- একটি ট্রায়ালের জন্য R = 2.2 cm (রেটিনার দূরত্ব) ব্যবহার করে f = d_o·R/(d_o + R) নির্ণয় করুন। সারণির সাথে তুলনা করুন।
- ব্যাখ্যা করুন কেন f সবসময় R = 2.2 cm-এর সামান্য নিচে থাকে — d_o খুব বড় হলে তার দিকে এগোয় (বিশ্রান্ত চোখ, অসীমে ফোকাস), আর কাছের বস্তুতে আরও নিচে নামে (বেশি অ্যাকমোডেশন চেষ্টা)।
5 · বিস্তার করুন
- স্বাভাবিক চোখের নিকটবিন্দু (প্রায় 25 cm) চোখের পেশি যে ক্ষুদ্রতম ফোকাস দূরত্ব অর্জন করতে পারে সেটি নির্ধারণ করে; দূরবিন্দু (অসীম) বড়টি নির্ধারণ করে (সম্পূর্ণ শিথিল)। ব্যাখ্যা করুন কেন বয়স বাড়ার সাথে অন্যথায় সুস্থ চোখেও নিকটবিন্দু বাড়ে (প্রেসবায়োপিয়া) — লেন্স অসীমে ফোকাসিং ক্ষমতা নয়, নমনীয়তা হারায়।
- ক্যামেরার অটোফোকাস যা যান্ত্রিকভাবে করে চোখ তা জৈবিকভাবে করে: ভিন্ন বস্তু-দূরত্বে সেন্সরে প্রতিবিম্ব ধারালো রাখতে লেন্সের কার্যকর ফোকাস দূরত্ব সমন্বয় করে (সাধারণত আকৃতি বদলে নয়, লেন্স সরিয়ে)। ক্যামেরার লেন্স শারীরিকভাবে সরে অথচ চোখের লেন্স আকৃতি বদলায় কেন?
এই পরীক্ষণের পেছনের পদার্থবিজ্ঞান
চোখের অ্যাকোমোডেশন
রেটিনার প্রতিবিম্ব ধারালো রাখতে চোখ লগ্নী তার লেন্সের ফোকাস দৈর্ঘ্য ক্রমাগত সমন্বয় করে: f = d_o·R/(d_o + R), যেখানে R স্থির রেটিনা-দূরত্ব। কাছের বস্তুর দাবি ছোট ফোকাস দৈর্ঘ্যের (বেশি ফোকাসিং ক্ষমতা)।